এই ছেলে এই দিকে আয়...?(সুইটি)
জ্বি আপু আমাকে বলছেন...!
এখানে কি তুই ছাড়া আর কেউ আছে..?(রেগে বললো সুইটি)
আমি চার পাশে দেখে বললাম, হুম আপু আছে তো..?
ওই তুই আমার সাথে ফাজলামো করিস..?(সুইটি বাইকে উপর থেকে নেমে বললো...!)
আমি কেন আপনার সাথে ফাজলামো করবো,
তা ছাড়া কলেজে মাঠে তো অনেক ছেলে মেয়েকে দেখা যাচ্ছে...?
ওই এখানে এসে দাঁড়া,(সুইটি)
তারপর আমি তার বাইকের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম,
।
ওই তোকে কি আমি বাইকে সামনে দাঁড়াতে বলেছি..?(সুইটি)
আপনি তো বললেন, এখানে এসে দাঁড়াতে,
বাইকে পিছনে এসে দাড়া,(সুইটি)
(শালার কোন ঝামেলা পড়লাম, নিজে ও জানি না)
তারপরে পিছনে এসে দাঁড়ালাম, প্রায় কিছুক্ষণ পরে,
ওই তুই কেন বুঝিস না, আমি তোকে অনেক ভালো বাসি, তাই তো তোকে অন্য কোনো মেয়ের সাথে দেখলে, আমি সহ্য করতে পারি না, কেন বুঝিস না,
(কান্না করতে করতে বললো)
।
তোমার মাথা কি ঠান্ডা হয়েছে, ঠান্ডা হলে আমি কিছু কথা বলতে চাই,
হুম বল,(চোখে পানি মুছতে মুছতে বললো)
তুমি আমাকে অন্য মেয়ের সাথে হেঁসে হেঁসে কথা বলতে দেখলে, তুমি সহ্য করতে পারো না,
তেমনি আমি ও তোমাকে এই ড্রেসে দেখে,
আমি তোমাকে সহ্য করতে পারি না, তোমাকে কত বার বলেছিলাম, তুমি ছেলেদের পোষাক পড়ে আসবে না..?
সরি আমার ভুল হয়ে গেছে, এই কান ধরে বলছি..।
আমি আর এই পোষাক পড়ে আসবো না..!(বাইক থেকে নামতে নামতে বললো)
।
আচ্ছা ঠিক আছে, যদি কোনো দিন ও এই পোষাকে,
তোমাকে দেখি তাহলে,
বুঝবে আমি কি জিনিস, (আমি রেগে বললাম)
ওরে বাবারে আমার বাবুটা দেখছি, রাগতে ও জানে,(সুইটি আমার গালে আলতো করে হাত দিয়ে)
আর এই বাইক নিয়ে কোনো দিন ও কলেজে আসবে না,
বাসায় তো গাড়ি আছে, এটা দিয়ে আসবে, যদি বাইক নিয়ে কোনো দিন ও আসো, তাহলে তোমার সাথে আর কথা বলবো না,
।
আচ্ছা ঠিক আছে, আর কোনো দিন ও বাইক নিয়ে আসবো না,(সুইটি আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো)
এই কি করছো, কলেজে সবাই তো আমাদের দিকে থাকিয়ে আছে,
তাকিয়ে থাকলে কি হয়েছে, আমি আমার বরকে জড়িয়ে ধরেছি,(সুইটি)
আচ্ছা চলো, তুমি মনে হয় কাল থেকে খাবার খাও নাই,
চলো রেস্টুরেন্ট গিয়ে খাবার খাবে..!
।
হুম চলো, তারপর আমি বাইক স্টার্ট দিলাম, সুইটি এসে আমার পিছনে উঠে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো,
কলেজে সবাই আমাদের দিকে থাকিয়ে আছে,
চলেন আপনাদেরকে রেস্টুরেন্ট যেতে যেতে,
পরিচয়টা দিয়ে পেলি,
আমার নাম রাশেল মাহাম্মুদ নীলয়, বাবা মায়ের বড় ছেলে, আমার একটা ভাই আছে,
আর এতক্ষণ যার সাথে কথা হলো, সেই রাগী টাইপের একটা মেয়ে, যেটা বলে সেটা করে,
।
তার নাম, সুইটি, বাবা মায়ের এক মাত্র মেয়ে, দেখতে মাশাল্লাহ, খুব সুন্দর, ডানাকাটা পরীর মতো,
আমার বাবা একজন সরকারি চাকরিজীবি,
বাবার টেনেস্পার হয়ে, এই খানে আসতে হয়।
বাসায় ঠিক করে, একদিন বিকালে, আমি একা একা
ঘুরতে বের হয়,
রাস্তা দিয়ে, একা একা হাঁটতেছি,
হাল্কা বাতাস বয়তেছে,
হাঁটতে হাঁটতে একটা দোকানে সামনে চলে আসলাম,
।
দোকানটা পার হতে, দেখতে পেলাম,
চার পাঁচ জন্য মেয়ে গুল করে, কথা বলতেছে,
সবার গায়ে পুরুষের পোষাক,
হঠাৎ তাঁদের গাঁয়ের পাক দিয়ে, একটা মেয়েকে দেখে আমার চোখ আঁটকে যাই,
মেয়েটা বেস সুন্দর করে কথা বলতেছে,
তার ভেজা ভেজা ঠোঁট গুলো একে অপর সাথে
ছোঁয়া লাগতেছে, তার খুলা চুল গুলো উড়তেছে,
।
আমি তাঁর দিকে এক নজরে থাকিয়ে আছি,
হঠাৎ মেয়েটা আমার দিকে থাকিয়ে দেখলো,
আমি তাঁর দিকে থাকিয়ে আছি,
তখন মেয়েটা ও আমার দিকে থাকিয়ে আছে..।
হঠাৎ লক্ষ্য করলাম.........
.......পরবর্তী পর্ব জন্য আমাকে ফলো করেন......
......ভুল গুলো নিজের দায়িত্ব শুধরে নিও.......
#ডেঞ্জারাস_রাগি_সিনিয়ার_গার্লফ্রেন্ড
#Writer_Russel_Mahmud_Niloy(রাইসার আব্বু)
#part_2
তখন হঠাৎ লক্ষ্য করলাম, আমার দিকে তাঁর বান্ধবীরা আসতেছে, আমি ভয় পেয়ে গেলাম,
কিন্তু ওই মেয়েটা তাঁর জায়গায় থেকে এক ইঞ্চি ও নরে নাই, আমার দিকে ড্যাপড্যাপ করে থাকিয়ে আছে,
তাঁর বান্ধবীরা আমার কাছে এসে,
আমার শার্টের কলার ধরে বললো, ওই ছেলে আমাদের দেখি এমন করে থাকিয়ে আছিস কেন..?(তাঁর মধ্যে একটা মেয়ে বললো)
।
আরে আপু কি করছেন, এই ভাবে শার্টের কলার ধরে কেউ কথা বলে..?
কেউ বলে বা না বলে, আমার ওটা দেখার বিষয় না..?(মেয়েটা আরো রেগে বললো)
এই ভাবে আমাদের দিকে থাকিয়ে আছিস কেন..?(আরেকটা মেয়ে)
আমি কখন আপনাদের দিকে থাকিয়ে থাকাম,
ওই একদম মিথ্যা কথা বলবি না, তা ছাড়া তোকে তো কোনো দিন ও এই খানে দেখি না,
।
তুই কি আমাদের এলাকায় নতুন আসলি নাকি..?(মেয়েটা)
জ্বি আপু আমি আজকে আসলাম,
আচ্ছা ঠিক আছে, এই দিকে কেন আসলি..?(মেয়েটা)
না মানি বাসায়টা নতুন, আর এলাকাটা ও নতুন,
তাই ঘুরতে বের হয়েছে, আর সামনে একটা খুব সুন্দর সাদা বক দেখে আমার চোখ আঁটকে যাই,
আর আপনারা মনে করছে,আমি আপনাদের দিকে থাকিয়ে আছি,(ঠ্যাডা মিথ্যা কথা)
।
আচ্ছা ঠিক আছে, আমরা হলাম,এই এলাকার
বড় বোন, আমাদের দেখলে সালাম দিবি,(মেয়েটি)
জ্বি????
হঠাৎ ওই মেয়েটা এসে বললো, ওই তোকে কেন সালাম, দিবে..?
তোরা বাইকটা নিয়ে চলে যা আমি আসতেছি..?( মেয়েটা)
আচ্ছা ঠিক আছে, সুইটি কিন্তু তুই এখানে একা একা কি করবি..?(মেয়েটি)
।
বৃষ্টি তুই আমাকে নিয়ে চিন্তা করিস না,
তুই এখন যা,
আচ্ছা ঠিক আছে, বুঝতে পেরেছি তুই কেন, এই খানে থাকতে চাস..?(বৃষ্টি)
একটা দিমো ,(হাত দিয়ে বললো) এখন চলে যা..?(সুইটি)
তাঁর পরে সুইটি দল চলে গেছে,
চলেন তোমার সাথে হাঁটতে হাঁটতে পরিচিত হয়..?(সুইটি)
আচ্ছা চলেন..!
।
আমার নাম সুইটি, তোমার নাম কি..?(সুইটি)
আমার নাম রাশেল,
তো এখানে নতুন নাকি, তোমাকে তো আগে কখনো দেখি নাই..?(সুইটি)
জ্বি আপু আজকে বাবা টেনেস্পার হয়ে এই এলাকায় বদলি হয়ছি....!
এই আমি তোমার কোন কালে আপু...(রেগে বললো)
আসলে বৃষ্টি আপু, তো আপনাদের আপু এবং সালাম দিতে বলেছে....?
।
এখন থেকে আমাকে আপু বলবে না, আমাকে আমার নাম ধরে ডাকবে..?(সুইটি)
কিন্তু আপনি তো আমার বড়..?
তাতে কি হয়েছে, আমাকে তুমি করে ডাকবে,(সুইটি)
আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটা নদী কাছে চলে আসলাম,
আমরা এখন কোথায়, আর এই নদীরটা নাম কি..?
আমরা এখন মনখানি আছি,
আর এই নদীটা নাম মন খানি নদী নামে পরিচিত, (সুইটি)
।
আমরা এই খানে কেন আসলাম..?
তোমাকে কিছু কথা বলতে, আমি তোমাকে আমার প্রিয় জায়গায় নিয়ে আসলাম,
আজ থেকে তুমি আমার, সব কিছু বাগিদার হবে..?(সুইটি)
মানি কি বোঝতে পারি নাই..?
আমি তোমাকে ভালোবেসে পেলেছি রাশেল..!(সুইটি)
আমি তো সুইটি কথা শুনে কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে গেলাম,
।
এই মেয়েটা কি বলে,আমি তো কিছু বোঝতে পারছি না,
প্রথম দেখাতে কি কেউ কাউকে ভালোবেসে পেলে,
কি হলো, কিছু বলতেছো না কেন..?(সুইটি)
আপনার সরি তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে,
এটা ভালোবাসা, না এটা ভালো লাগে,
তুমি ভালো লাগেকে, ভালোবাসা বলতেছো,
।
না, এই প্রথম আমি তোমাকে দেখে নর্মাল ভাবে কথা বলেছি, আর তোমার চোখ গুলো,
যেনো আমার চোখের সাথে কথা বলতে চাই..!(সুইটি)
আচ্ছা মানলাম, আপনি আমাকে ভালোবাসে,
কিন্তু আমার ও তোমাকে প্রথম দেখাতে,
ভালো লেগে যাই,
ভালো লাগলে ও কি সবাইকে ভালোবাসায় যাই,
।
সবাইকে ভালোবাসা যাই না,
তা ছাড়া আমি ও তোমাকে ভালোবাসতে পারবো না,
কেন ভালোবাসতে পারবে না..?(সুইটি )
তুমি কি আট দশটা মেয়ের মতো সাধারণ হতে পারবে..?
(সুইটি মাথা নিচু করে পেললো)
জানি পারবে না, তাঁর পরে আমি ওই খান থেকে চলে আসলাম,
।
এমন করে কিছুদিন চলে গেলেছে, কাল থেকে কলেজে যাবো,
পরেদিন সকালে উঠে, রেডি হয়ে কলেজে চলে আসলাম,
গেইট দিয়ে ঢুকতে, ঠাসসসসসস ঠাসসসসসস ঠাসসসস,
আপনারা কি ভাবছে, থাপ্পড় গুলো আমার গালে পড়ছে...!
আপনারা যদি এটা ভেবে থাকেন, তাহলে তারাতাড়ি,
বাস্তবে চলে আছেন...?
।
থাপ্পড় শব্দ শুনে সামনে থাকিয়ে দেখি,
সুইটি বাইকে বসে আছে,
আর তার বান্ধবীরা একটা ছেলেকে ।
তিনটা থাপ্পড় দিয়ে উঠবস করাচ্ছে,
আমি সামনে দিয়ে যেতে, বৃষ্টি আমাকে ডাক দিলো,
এই রাশেল এই দিকে আসো..?(বৃষ্টি)
আমার নাম শুনে সুইটি, পিছনে থাকিয়ে দেখলো,
।
আমাকে দেখে সেই বেশ অবাকক হলো,(তার চোখ দেখে বোঝতে পারলাম)
তুমি এই খানে..?(বৃষ্টি)
হুম কেন, আসতে পারি না..?
তা না, কিন্তু কোন ইয়ারে..?(বৃষ্টি)
অনার্স ২য় বর্ষে...
ভালো, তা ভালো করে পড়া লেখা করবে,
আর কোনো মেয়ের দিকে থাকাবে না,
আর কালকে ব্যাহারের জন্য সরি....!(বৃষ্টি)
।
না ঠিক আছে, আমি আমি আসি..?
আচ্ছা ঠিক আছে, যাও...(বৃষ্টি)
তাঁর পরে ক্লাসে খুঁজতেছি...........
এমন সময় আমার কাঁদে কে যেনো হাত দিলো...।
আমি পিছনে ফিরে তো অবাকককক.......
.........পরবর্তী পর্ব জন্য আমাকে ফলো করেন.......
.......ভুল গুলো নিজের দায়িত্ব শুধরে নিও......
#ডেঞ্জারাস_রাগি_সিনিয়ার_গার্লফ্রেন্ড
#Writer_Russel_Mahmud_Niloy(রাইসার আব্বু)
#part_3
আমি তো পিছনে ফিরে অবাককক। আরে আপনি সরি তুমি এখানে..?(আমি সুইটিকে বললাম)
কেন অন্য কেউ আসার কথা নাকি..?(সুইটি)
না মানি তোমাকে তো নিচে দেখছি, সেই জন্য বললাম,
তুই এত বৃষ্টি সাথে কি কথা বলি..?(বেশ রেগে বললো)
তাঁর সাথে আমি কখন কথা বললাম..?
সেই তো আমার সাথে কথা বলতে চলে আসে,
আজ থেকে ওই মেয়ের সাথে কথা বলবি না...?(সুইটি)
যদি বলি,
কিইই বললি, তুই আমার কথা অমান্য করবি..(সুইটি রেগে আমার দিকে আসতেছে)
।
আমাকে পায়কে আর, দিলাম একটা দোড়,এক দোড়ে ক্লাস রুমে চলে আসলান,
এখন ও কিন্তু ক্লাস রুম চিনি না, দরজান সামনে দাঁড়িয়ে আছি,
এমন সময় আমার সামনে একটা মেয়ের এসে বললো,
হাই আমি মিম, আপনার নামটা বলবেন প্লিজ...?(মিম)
আল্লাহ কোন ঝামেলায় ফেলেছে আমাকে,
ডান দিকে গিলে ও মেয়ে বাম দিকে গিলে ও মেয়ে,
।
শালা এত গুলো মেয়ে আমার কপালে দিতে হয়,
আমাকে যদি এত গুলো মেয়ে দাও,
তাহলে আমার মতো যারা সিঙ্গেল আছে, তাঁরা তো একটা ও গার্লফ্রেন্ড পাবে না, হি হি হি
কি হলো আপনি কি ভাবছেন..?(মিম)
(মিমের কথা আমার ঘোর কাটলো) না কিছু না,
আমার নাম রাশেল......।(এই দিক ওই দিকে থাকিয়ে মেয়েটার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলাম)
।
মেয়েটা হাত মিলিয়ে বললো,
আপনি এই দিক ওই দিক কি দেখতেছে..?(মিম)
না মানি ক্লাস রুম খুঁজতেছি..।
তো আপনি কোন ইয়ারে পড়েন...?(মিম)
আমি অনার্স ২য় বর্ষে পড়ি..আপনি..?
আমি ও, চলেন ক্লাস রুমে যাই...।
তারপরে মিমের সাথে ক্লাস রুমে চলে আসলাম,
ক্লাস রুমে এসে বেশ ভালো হলো,
।
কিছু গুলো গুলো গাল ওয়ালা মেয়ে বন্ধু পেলাম,
আর কিছু গুল ফ্রেমের চশমা ওয়ালা ছেলে বন্ধু পেলাম,
আহহহ আজকে যে কার মুখ দেখে ঘুম থেকে উঠেছি,
ও হ্যাঁ মনে পড়েছে, আম্মু মুখ দেখে উঠছি,
আহহহ ক্লাস শেষ করে বের হলাম,
যখন গেইট দিয়ে বের হবো, তখন ঠাসসস ঠাসসসস
আমার গালে দুইটা থাপ্পড় পড়লো,
।
কে মেরেছে দেখার জন্য, ফিরতে তো আমি অবাকক,
সুইটি চোখ রক্ত বর্ণ দারণ করে দাঁড়িয়ে আছে,
আমি গালে হাত দিয়ে বললাম,
কেন মেরেছে..?
তুই ওই মেয়ের সাথে এত কি কথা বললি...?(সুইটি রেগে বললল)
কোন মেয়ে আর কোথায় কথা বললাম..?
এখন ন্যাকা সাজা হচ্ছে তাই না...! তুই ওই মিম নামে মেয়ের সাথে কথা বলিস নাই...?(সুইটি)
।
আরে ও তো আমার ক্লাস মেইট,
তাই তো তার সাথে কথা বললাম, তা ছাড়া আর কিছু নেই।
তুই যেনো আর ওই মেয়ের দিকে না যায়..?(সুইটি)
ওই তো আমার ক্লাস মেইট, আর তা ছাড়া আমার বান্ধবী ও হয়....তাঁর সাথে কি কথা না বলে থাকা যাই বলোন....?(আমি কেন তাঁকে এত কুপিয়ত দিচ্ছি)
আচ্ছা ঠিক আছে, তবে কম মিলা মিশা করবি ...!(সুইটি)
।
????????(আমি)
কি হলো কথা বলছিস না কেন..?(সুইটি)
আমি বাসায় চলে যাবো, কথাটা বলে হাঁটা দিলাম,
সুইটি আমার কাছে দোড়ে এসে আমার হাতটা ধরে বললো,
আমার উপর রাগ করছো তাই না..বিশ্বাস করো আমি তোমার গায়ে হাত উঠাতে চাই না....!(সুইটি আমার হাত ধরে বললো)
।
আপনার কথা শেষ হয়েছে,তাহলে এখন আমি যেতে চায়, আমার বাসায় কাজ আছে..?
হাঁটা দিলাম, সুইটি হাঁটু গিরে রাস্তায় বসে পড়লো,
আমার যাওয়ার দিকে এক দৃষ্টিতে থাকিয়ে আছে,
আমি যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর আলগার
হয়ে যাচ্ছি না, ততক্ষণ পর্যন্ত সেই আমার দিকে এক
দৃষ্টিতে থাকিয়ে আছে,
আমি এক বার পিছনে ফিরে থাকিয়ে দেখলাম,
সুইটি এখন ও আমার দিকে থাকিয়ে আছে,
।
আমি তাঁর পরে চলে আসলাম বাসায়,
বাসায় এসে কলিং বের চাপলাম,
মা এসে দরজা খুলে দিলো, কি আব্বু কলেজে কেমন লাগলো..?(আম্মু আমাকে জড়িয়ে ধরলো)
মা আজকে দিনটা অনেক ভালো কাটলো...!
(যা কখনো ভুলতে পারবো না)
কেন এমন কি পেয়েছিস কোনো দিন ও ভুলতে পারবি না...?(মা আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো)
।
(মা কথা উত্তর না দিয়ে)আমাকে কি দরজা বাইরে দাড় করিয়ে রাখবে,
আয় ভিতরে আয়, তাঁর পরে বাসার ভিতরে এসে,
ফ্রেশ হতে চলে গেলাম,
সুইটি এখন ও রাস্তায় বসে আছে.....
কিছুক্ষণ পরে তাঁর বান্ধবীরা এসে তাঁকে উঠিয়ে বললো,
এই সুইটি তোর কি হয়েছে, আর এই ভাবে রাস্তায় বসে আছিস কেন..?(বৃষ্টি)
।
কিছু না চল বাসায়, যাবো, তার পরে তাঁরা বাসায় চলে আসলো...।
আমি ফ্রেশ হয়ে বের হলাম,
আম্মু আব্বু কোথায়..?
অফিসে গেছে।(আম্মু)
আম্মু আব্বু কখন আসবে...?
কিছুক্ষণ পরে চলে আসবে আব্বু...!(আম্মু)
আচ্ছা আব্বু আসলে, আমাকে ডাক দেয়েন।
আমি রুমে আছি...?(আম্মু কাছে এসে বললাম)
।
হুম বুঝতে পেরেছি, আমার কাছে কেন আসলি..?(তাঁর পরে আম্মু আমার কপালে একটা পাপ্পি দিলো)
আচ্ছা আম্মু রাব্বি কোথায়...?
সেই স্কুলে গেছে, আচ্ছা তোর গালে এটা কিসের দাগ..?(আম্মু)
এই রে ধরা পরে গেলাম, নাকি আমার গালে কি থাপ্পড় দাগ আছে নাকি....? আমি তো কিছু বুঝতে পারছি না।
আরে মা ওটা কিছু না, আসার সময় কিসে যেনো লেগে গেছে....!
।
দেখে শুনে চলতে পারি না..?(আম্মু)
আচ্ছা আমি যাই, রুমে গিলাম, তাঁর পরে রুমে এসে আয়নায় এসে দেখলাম,
গালে দাগ আছে কি না, ও এই জন্য আম্মু বুঝতে পারে নাই।
আমার গালে একটু দাগ পরেছে, সেই জন্য মা আমাকে সন্দেহ করেছে,
কিছুক্ষণ পরে আব্বু আসলো, আর রাব্বি ও আসলো (রাব্বি হলো আমার ছোট ভাই)
সবাই এক সাথে বসে লাঞ্চ করলাম...।
।
পরে দিন, কলেজে এসে তো আমি অবাককক......
........পরবর্তী পর্ব জন্য আমাকে ফলো করেন.......
.....ভুল গুলো নিজের দায়িত্ব শুধরে নিও.......
#ডেঞ্জারাস_রাগি_সিনিয়ার_গার্লফ্রেন্ড
#Writer_Russel_Mahmud_Niloy(রাইসার আব্বু)
#part_4
আমি তো কলেজে এসে অবাকক...
সুইটির চোখ ফুলা ফুলা,
মনে হয় সারা রাত ঘুমায় নাই, তাতেই আমার কি,
তার পরে তাঁদের সামনে দিয়ে,
না ঢুকে পিছনে রাস্তা দিয়ে চলে আসলাম।
ক্লাস রুমে ঢুকে, দেখলাম আমার বন্ধুরা,
সবাই বসে আছে,
।
আমি তাঁদের মাঝে এসে বসে পড়লাম,
ওই এটা কি হলো..?(মিম)
কি হলো মানি, তুই দেখতে পেলি না, কি হলো..!
নাকি তোর চোখ কানা....?
ওই একদম ফালতু কথা বলবি না..?(মিম)
ওরে আমার গুলো গুলো বান্ধবীরে..!(তাঁর গাল ধরে বললাম)
।
ওই কি করছিস..? ক্লাসে ছাত্র ছাত্রী আছে দেখতে পাস নাই..?( লজ্জা মার্কা শুরে বললো)
এতে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই,
তুই আমার বান্ধবী তাই তো তাঁর গালে হাত দিলাম,
এতে অন্য কেউ কেন বলবে..?
থাক তোকে আর বলতে হবে না..!
ব্যাপার টা কি বলতো..?(মিম)
কিসে ব্যাপার....?(অবাকক হয়ে)
।
আজকে তোকে এত খুশি খুশি লাগতেছে কেন..?(মিম)
ওই এই ব্যাপার,
শুন তাহলে, আজকে আমার মনটা খারাপ,
তাই তোদের সাথে আজগুবী কথা বলে,
বা ফাজলামো করে মনটাকে ভালো করতেছি..?
এটা কেমন কথা..! যাই হোক, কিন্তু কেন মন খারাপ বলতো, ভাবি ছ্যাগা দিয়েছে নাকি হা হা হা...(মিম হেসে বললো তার সাথে ছেলে বন্ধু গুলো হেসে বললো)
।
খিকখিক করে হাসতে হবে না, পেত্নী, আমার কি,
গার্লফ্রেন্ড থাকলে, এই খানে তোর,
সাথে কথা বলতাম...?
মুহূর্তে মধ্যে মিমের হাসা বন্ধ হয়ে গেলো...!
কি আমি পেত্নী,...?(মিম)
তো এই খানে কি তোর মতো আর কোনো মেয়ের আছে নাকি যে থাকে পেত্নী বলবো..?(ক্লাসের সবার মনো যোগ এখন আমাদের দিকে...?)
।
আমি পেত্নী হলে, তোর চোদ্দ গোষ্ঠী পেত্নী বর.....!(মিম রেগে বললো)
ওই আমার আব্বু কি বউয়ের অভাব হয়েছে,
যে তোর মতো পেত্নীকে বিয়ে করবে,
তা ছাড়া আমার আব্বু আর বিয়ে করবে না...?
তোর আব্বুকে কে বিয়ে করতে বলেছে কে....?
আমি বলেছে, তোর মতো তোদের গোষ্ঠীর মধ্যে যারা আছে তাদের কথা বলেছি....!(মিম)
।
হা হা হা, আমার গোষ্ঠীর যেই সব আমার মতো স্মার্ট পোলাপান আছে...?
তাঁদের কিন্তু একটা একটা পরী মতো,
রাজকুমারী আছে...! তাঁর রাজকুমারী ছেড়ে,
কোন দুঃখে তোর মতো পেত্নী কে বিয়ে করতে যাবে..?
শালার শুধু আমার নাই, বোন আমার থুক্কু বান্ধবী আমারটা না ফাটা কপাল......!
।
তোরটা ফাটা কপাল হবে না কি ওই জব্বার আলীরটা হবে, কারণ তুই শুধু আমার মতো মেয়েদের সাথে..।
ঝগড়া করিস...?(মিম খুব নরম সুরে কথা বললো)
ওরে আমার গুলো গুলো বান্ধবীটা দেখছি..।
কান্না ভাব ও করতে জানে...?
আচ্ছা ঠিক আছে, আর তোর সাথে ঝগড়া করবো না.....?
।
হঠাৎ কারো হাতের তালির শব্দ আমাদের ঘুর কাটলো..।দেখতে পেলাম আমাদের ক্লাস মেইট বন্ধুরা হাত তালি দিচ্ছে....(আমাদের কারো মন চিলো না, আমরা যে ক্লাসে আছি.....)
ব্রো সেই হয়েছে... ওচাম... এক কথায় অসাধারণ.. তোদের দুই জনকে অসংখ্য ধন্যবাদ (আমাদের মাঝে ও একটা ভালো লাগা কাজ করতেছে তোদের কাণ্ড দেখে)(আমার ক্লাসের ফাস্ট বয়)
।
আমরা ভাবতে ও পারি নাই..তুমি কালকে এসে,
আজকে মিমের সাথে এই ভাবে মিসতে পারবে...?(সেকেন্ডে গার্ল)
মিম তো লজ্জায় বেঞ্চে মুখ লুকালো....!
কি মিস মিম এত লজ্জা পেলে হবে..। এই খানে আমরা সবাই ক্লাস মেইট, সো এখানে সবাই বন্ধু,
(নীলাদ্রি ক্লাস মেইট)
।
তার পর স্যার চলে আসলো, সবাই যার যার সিটে বসে পড়লো...!
আমরা ও ভালো ভাবে বসলাম,
তারপর ক্লাস শেষ করে স্যার চলে গেলো...।
কলেজে ছুটির পরে ক্লাস থেকে বের হয়ে.....
বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছি...!
হঠাৎ মিম দৌড়ে এসে আমাকে বললো...
কিরে রাগ করেছিস আমার সাথে..?(মিম)
।
আমি মিমের কথা শুনে চমকে উঠলাম,
তারপর তাঁর দিকে ফিরে বললাম...।
কেন রাগ করবো...?(মিম)
তোর চোদ্দ গোষ্ঠী বলছি তাই মনে হয় রাগ করেছি..?
(মিম)
আরে না....!
তাহলে আমার সাথে ক্লাসে একটা কথা ও বলিস নাই কেন...?(মিম)
।
তুই তো লজ্জা পেয়ে চুপ হয়ে গেলি, তাই তো তোর সাথে আমি কথা বলি নাই...?
আচ্ছা তোর নাম্বার টা দেয় তো...?(মিম)
কেন নাম্বার নিয়ে কি করবি..?
যদি কোনো কিছু ভুলে যাই তাই তোর কাছ থেকে জিগ্যেস করবো....?(মিম)
আচ্ছা নেয়★★★★★★★★.....
আচ্ছা বাই ভালো থাকিস..গাড়ি চলে আসছে...?
।
তারপর মিম চলে গেছে, আমি নিচে এসে বাসার দিকে রওনা দিলাম,
পিছন থেকে হঠাৎ কেউ একজন আমার হাত,
ধরলো, আমি পিছনে ফিরতে,
সেই আমার বুকে এসে ঘাপটি মেরে জড়িয়ে ধরলো,
আমি তো অবাককক,
আপনি কে আর আমাকে জড়িয়ে ধরছেন কেন..?(ছাড়াতে ছাড়াতে বললাম)
।
কিন্তু আমি ব্যর্থ, আমি থাকে ছাড়াতে পারলাম না,
কারণ সেই আমাকে অনেক শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো......।
আমি তাঁর মুখটা আমার বুক থেকে উঠিয়ে দেখে তো আমি অবাককককক
আরে এটা তো নীলিমা আপু.....।
আরে নীলিমা আপু কি করছেন...?
তারপর সেই আমাকে ছেড়ে দিয়ে বললো...।
।
রাশেল কেমন আছো...?(নীলিমা আপু)
আমি ভালো আছি...আপনাদের কি খবর...?
ভালো আছি, তুই এই খানে কেন...?(নীলিমা আপু)
আমি এই কলেজে এডমিশন হয়েছে,
তো ভাইয়া কেমন আছে...?
(একটা বড় নিঃশ্বাস পেলে বললো) হুম ভালো আছে, আন্টি আঙ্কেল কেমন আছে....?(নীলিমা)
ভালো আছে, আর আপনি এই খানে কেন....!
চল ওই খানে বসে বলি...? নীলিমা আমার হাত ধরলো...।
।
হঠাৎ বাম সাইডে চোখ পড়লো, হায় হায় আল্লাহ,
জানে না সুইটি আসতেছে এই দিকে, নীলিমাকে ও না জানি থাপ্পড় মারে, সুইটি কাছে এসে যা বললো,
আমি তো শুনে অবাকককক.........
..........পরবর্তী পর্ব জন্য আমাকে ফলো করেন......
........ভুল গুলো নিজের দায়িত্ব শুধরে নিও........
#ডেঞ্জারাস_রাগি_সিনিয়ার_গার্লফ্রেন্ড
#Writer_Russel_Mahmud_Niloy(রাইসার আব্বু)
#part_5
আরে নীলিমা আপু আপনি এই খানে, আর আপনি রাশেলকে চিনেন নাকি...?(সুইটি)
আমি সুইটির কথা শুনে অবাকক হয় গেছি,
এই মেয়ে নীলিমা আপুকে কি,
করে চিনে...?
হুম, কিন্তু তুই কি ভাবে রাশেলকে চিনিস..?(নীলিমা আপু অবাকক হয়ে বললো)
তুমি দুই মিনিট এই খানে দাঁড়া ও আমরা এখন আস্তেছি,(বলে সুইটি আমার হাত ধরে টানতে টানতে একটা নির্জন জায়গায় নিয়ে আসলো)
।
কি হলো এই ভাবে আমাকে ওই নিস্তব্ধ জায়গায় কেন নিয়ে আসলে...?
তোর সাথে রোমাঞ্চ করার জন্য তোকে এই খানে নিয়ে আসলাম...!(সুইটি ঠোঁট দুইটি দিয়ে আমার ঠোঁট চুষছে লাগলো...।
আমি তো তাঁর কান্ড দেখে অবাকক...।
এই মেয়ের কি লজ্জা সরম বলতে কিছু নেই..!
আমি ছাড়ানোর চেষ্টা করা যাচ্ছি,
।
কিন্তু আমি ছাড়াতে পারতেছি না,
আমি ব্যর্থ হয়ে গেলাম,
সুইটি আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো....।
আমি ছাড়াতে না পরে আমি তো তাঁর কাজে...
রেসপন্স দিলাম,
প্রায়ই কিছুক্ষণ পরে সেই আমাকে ছেড়ে দিলো.....
।
সুইটি হাঁপাচ্ছে, হাঁটুতে হাত দিয়ে, আমার দিকে থাকিয়ে
দুষ্টুমি হাসি দিলো...!
আমি বুঝতে পেরেছি, সেই কেন দুষ্টু মার্কা হাসি দিলো........।
তাই আমি তারাতাড়ি হাঁটা দিলাম,
কিন্তু আর হাঁটতে পারতেছি না.....!
পিছন থেকে সুইটি আমার শার্টের কলার ধরলো...।
শালার এই মেয়ে আমাকে কি পেয়েছে...?
।
আমাকে তাঁর দিকে ফিরিয়ে আবার ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো....।
বেশ ভালো লাগতেছে, কিন্তু সেই আমার ঠোঁট চুষতে চুষতে লাল করে পেলতেছে....!
হায় আল্লাহ আমার ঠোঁট কি খেয়ে পেলবে নাকি এই মেয়ে....?
বেশ কিছুক্ষণ পরে ছেড়ে দিলো...।
আমরা দুই জনে হাঁপাচ্ছি....
হঠাৎ নীলিমা আপুকে এই দিকে আস্তেছে দেখলাম...।
আমি তারাতাড়ি আমার ঠোঁট মুছে পেললাম...।
।
যদি আমার ঠোঁটে সুইটির লিপস্টিক থেকে যায় তাহলে
আমার মান সম্মানের বারোটা বেজে যাবে...।
আমি সুইটির কাছ থেকে একটু....
দূরে চলে আসলাম,
নীলিমা আপু আমাদের কাছে এসে...
ওই রাশেল তোর ঠোঁট ফোলা কেন...?(নীলিমা আপু)
(আপু কথা শুনে আমার বুকে ধুক ধুক করতেছে)
হায় আল্লাহ ধরা পড়ে গেলাম নাকি....
।
আমি সুইটির দিকে থাকিয়ে দেখলাম....!
সেই হাসতেছে....।
আমার তাঁর হাসি দেখে রাগ উঠলো...?
হঠাৎ...
আরে আপু ঠোঁট কেন ফোলা হয় তা আপনি জানে না...?(সুইটি)
আমি তো সুইটি কথা শুনে অবাকক হয়ে গেলাম...।
এই মেয়ের লজ্জা সরম নাই বলতে হবে...?
।
নীলিমা আপু সুইটি কথা শুনে আমার দিকে..
থাকিয়ে হাসতেছে।।।
ওই সব কবে থেকে চলতেছে...?(নীলিমা আপু হাসতে হাসতে বললো)
ওই আপু তুমি যা ভাবছো... ওই সব কিছু আমাদের মাঝে নেই...?
জানি চাঁন্দু..ধরা পড়লে সবাই এই কথা বলে..?(নীলিমা আপু)
ধ্যত আপু তুমি ও বিশ্বাস করলে না আমাকে...কথাটা বলে চলে আসলাম.....।
।
এই রাশেল কোথায় যাচ্ছি, আমার সাথে তো কথা বলে যা...?(পিছন থেকে নীলিমা আপু ডাক দিয়ে বললো)
আমি তাঁদের কথার কোনো...
রেসপন্স না দিয়ে হেঁটে চলে আসলাম....।
চলো আপু ওই বেঞ্চে বসি....?(সুইটি)
তাঁর পরে তাঁরা বেঞ্চে এসে বসলো...।
তো আপু তুমি রাশেল কে কি ভাবে চিনো....?(সুইটি)
।
রাশেলের বাসা আর আমার বাসায় একই গ্রামে...।
আমরা দুই জনে ভাই বোনে মতো থাকতাম...!
একদিন আমি একজনের প্রেমে পড়ে যাই...।
তার পরে আমাদের রিলেশন শিপ চলতে থাকে....!
আমাদের রিলেশনের কথা পরিবারের...
সবাই যেনে যায়...
ফলে আমার পরিবারে কেউ রবিকে(রবি হলো আপু বর) মেনে নিতে...।
চাচ্ছে না,
।
আর আমাকে ও বাসা থেকে বের হতে দেয়..!
না, বাসায় আমার জন্য পাত্র দেখতেছে,
আর আমি তো রবি সাথে কথা বলতে..!
পারতেছি না,
তারপরে হঠাৎ রাশেল কথা মনে পড়লো,
তাই থাকে বাসায়, আসার খবর দেয়..!
সেই ও এসে যায়...।
আমি থাকে বললাম, আমাদের পালানোর,
ব্যবস্থা করে দিতে....!
।
সেই আমার নানা রকম সলুশন বলেছে না পালানোর জন্য...।
তখন আমি তার কথা কোনো গুরুত্ব দেয় নাই...।
পরে যখন সেই দেখলো,
আমি তাঁর কথা কোনো গুরুত্ব দিচ্ছি না..!
সেই আমাদের পালানোর ব্যবস্হা করে দেয়।
আজ তার কথা না মানার, বা একটা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণে আজ আমাকে...!
এত কষ্ট পেতে হচ্ছে....।(নীলিমা কেঁদে কেঁদে বলতেছে)
।
আপু চলেন বাসায় চলে যায়....?(সুইটি)
তাঁর পরে তাঁরা বাসায় চলে আসলো....।
আমি বাসায় এসে একটা ঘুম দিলাম....!
রাব্বির ডাকে আমার ঘুম ভাঙ্গলো,
ভাইয়া আমার চকলেট কোথায়...?(রাব্বি)
ড্রয়ারে রাখছি..!
তাঁর পরে বিছানা থেকে ওঠে ফ্রেশ হয়ে।
আম্মু কাছে এসে নাস্তা করলাম...!
।
রাতে চাঁদ দেখতে আমার খুব ভালো লাগে...।
তাই আম্মু কাছ থেকে কপি নিয়ে ছাঁদে চলে আসলাম...।
দোলনায় এসে বসলাম, জোৎস্নার আলোতে..!
ঘুঁটা শহর আলো কৃত হয়ে গেছে..!
আস্তে করে কপি মকে চুমুক দিলাম....।
বেশ ভালো লাগতছে, হঠাৎ দুপুর কাহিনী মনে পড়ে গেছে,
ওই মেয়ের কি কোনো লজ্জা সরম নেই,
।
আমাকে চুম্মু দিয়েছে, আমার ঘুর কাটলো,
মোবাইলে রিংটোনে,
মোবাইলটা হাতে নিয়ে দেখলাম,
অচিন নাম্বার, প্রথম বা রিসিভ করলাম,
আবার দিলো, এই বার রিসিভ করলাম,
ওই তোর ফোন ধরতে এতক্ষণ লাগে,(মেয়ের কন্ঠেই বললো)
।
আরে আপনি কে আর আমাকে এই ভাবে ধমক দিচ্ছেন কেন...?
আমি তোর জম, এখন তোর বাসায় সামনে আয়..?(মেয়েটা)
আমি কেন আমার বাসার সামনে যাবো, আর আপনি আমাকে কি ভাবে চিনলেন..?
তুই আসবি নাকি, আমি তোর বাসায় চলে আসবো..?(ধমনকের সুরে বললো)
আমি ছাঁদ থেকে নিচে থাকিয়ে দেখল