শিক্ষক মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতি: আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন
শিক্ষক মূল্যায়ন শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে, মূল্যায়ন পদ্ধতিতে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও আধুনিক পরিবর্তন প্রয়োজন। পুরনো পদ্ধতি যেখানে শুধুমাত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষককে মূল্যায়ন করা হত, বর্তমানে নতুন পদ্ধতিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পরস্পরের সম্পর্ক, শিক্ষাদানের পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির মধ্যে ফর্মেটিভ অ্যাসেসমেন্ট অন্যতম। এটি শিক্ষকের কর্মক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে, যাতে তাদের শিক্ষাদানের কৌশলগুলি উন্নত করা যায়। শিক্ষার্থীদের মতামত, শ্রেণীকক্ষে তাদের অংশগ্রহণ এবং সমস্যা সমাধান করার দক্ষতা এই পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো স্বতন্ত্র মূল্যায়ন। এতে শিক্ষকের কাজের মূল্যায়ন শুধুমাত্র শিক্ষার্থী বা পরীক্ষার ওপর নির্ভর করে না, বরং তাদের পেশাদারী দক্ষতা, নতুন শিক্ষণ কৌশল গ্রহণ, এবং শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করার ক্ষমতাও মূল্যায়িত হয়। এছাড়া, পিয়ার রিভিউ সিস্টেম এবং স্ব-মূল্যায়ন পদ্ধতিও শিক্ষক মূল্যায়নে কার্যকর হতে পারে, যেখানে সহকর্মীরা একে অপরের কর্মক্ষমতা মূল্যায়ন করে।
এই নতুন পদ্ধতিগুলি শিক্ষককে তাদের পেশাদারী দক্ষতা ও শ্রেণীকক্ষে তাদের শিক্ষাদানের পদ্ধতি সম্পর্কে প্রতিফলন করতে সাহায্য করে এবং তাদের আরও উন্নত করার সুযোগ প্রদান করে।