বর্তমান শিক্ষাক্রম ও শিক্ষাপদ্ধতি অনেক ক্ষেত্রে ঐতিহ্যগত এবং কিছুটা সঙ্কীর্ণ ধারায় সীমাবদ্ধ। দ্রুত পরিবর্তিত পৃথিবী এবং বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এখন অনস্বীকার্য।
প্রথমত, শিক্ষাক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, যেমন ডিজিটাল লার্নিং এবং অনলাইন রিসোর্স অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান শিক্ষাক্রমে তত্ত্বের পাশাপাশি বাস্তব জ্ঞান, সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। শিক্ষার্থীদের শুধু স্মৃতিচারণের মাধ্যমে নয়, বরং সমস্যা সমাধান এবং বিশ্লেষণী চিন্তা করার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, শিক্ষাপদ্ধতিতে একাধিক দৃষ্টিকোণ এবং বৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। বহুসংস্কৃতির শিক্ষা, সবার জন্য সমান সুযোগ এবং মানসিক স্বাস্থ্য সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে শিক্ষার ব্যাপকতা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। সৃজনশীলতা, সামাজিক দক্ষতা এবং পরিবেশগত সচেতনতা শিক্ষার অংশ হতে পারে।
এছাড়া, শিক্ষক প্রশিক্ষণেও সংস্কার প্রয়োজন। শিক্ষকরা যদি আধুনিক পদ্ধতি এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষাদান করেন, তবে তা শিক্ষার্থীদের আরও ভালভাবে শেখার সুযোগ প্রদান করবে।
সর্বশেষ, শিক্ষাক্রমের সংস্কার কেবল পাঠ্যসূচি পরিবর্তন নয়, বরং সমাজের প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠন এবং শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।